হারুন আল রশিদ
" আব্বাসীয় খলিফা আল মাহদি এবং এক ইয়েমেনী দাসীর পুত্র হারুন আল-রশিদ ইসলামি স্বর্ণযুগ বলতে যা বুঝায় সেই চূড়ান্ত সময়ে খলিফা হয়েছিলেন। তার শাসনামলে বাগদাদ পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ নগরীতে পরিণত হয়েছিল। ইতিহাসবিদ মাসউ'দী লিখেন যে, হারুন আল-রশিদ তার মৃত্যুর ঠিক পূর্ব মুহূর্তে ক্ষমতা ও জীবনের ক্ষণস্থায়ী স্বভাব সম্পর্কে কবিতা পড়ছিলেন। আরবি কবিতাটি লিখেছিলেন বিখ্যাত কবি আবুল আতাহিয়্যা এবং এই পুরো ঘটনাটিকে ইংরেজিতে আলোচিত কবিতায় রূপ দিয়েছেন ঊনবিংশ শতাব্দীর আমেরিকান কবি হেনরি ওর্ডস্ওর্থ লংফেলো।
![]() |
| পায়রা বন্দর জামে মসজিদ, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫ |
একদিন, হারুন আল রশিদ পড়ছিলেন
একখানা বই যেখানে কবি বলেছেন:--
একখানা বই যেখানে কবি বলেছেন:--
"কোথায় রাজা বাদশাহ, আর কোথায় বাকিরা
যাদের দখলে ছিলো একদা দুনিয়া?
তারা চলে গেছে তাদের সমস্ত শোভা আর সমারোহের সাথে,
তারা সেই পথে গেছে যেই পথে তুমিও একদিন চলে যাবে।
ওহে তোমরা যারা তোমাদের ভাগ পেতে চাও
দুনিয়ার এবং দুনিয়া যাকে সুন্দর বলে তারও,
এ দুনিয়া যা দিতে পারে তার সব নিয়ে নাও, নিতে পারো কর্জ হিসেবেও
কিন্তু জেনে রেখো, সবকিছুর শেষে ঠিক মৃত্যু আসবে!"
যাদের দখলে ছিলো একদা দুনিয়া?
তারা চলে গেছে তাদের সমস্ত শোভা আর সমারোহের সাথে,
তারা সেই পথে গেছে যেই পথে তুমিও একদিন চলে যাবে।
ওহে তোমরা যারা তোমাদের ভাগ পেতে চাও
দুনিয়ার এবং দুনিয়া যাকে সুন্দর বলে তারও,
এ দুনিয়া যা দিতে পারে তার সব নিয়ে নাও, নিতে পারো কর্জ হিসেবেও
কিন্তু জেনে রেখো, সবকিছুর শেষে ঠিক মৃত্যু আসবে!"
হারুন আল রশিদ সিজদায় লুটিয়ে পড়লেন:
অশ্রু ঝরে পড়লো সেই পৃষ্ঠায় যা তিনি পড়ছিলেন।"
অশ্রু ঝরে পড়লো সেই পৃষ্ঠায় যা তিনি পড়ছিলেন।"
[হেনরি ওর্ডস্ওর্থ লংফেলো কর্তৃক ইংরেজিতে পুনর্লিখিত কালজয়ী আরব কবি আবুল আতাহিয়্যার কবিতা"র অনুবাদ: মোঃ ফেরদৌস আলম]

বাহ!
উত্তরমুছুন